1. cbarta2025@gmail.com : C Barta : C Barta
  2. editor@cbarta.com : Reporter : Reporter
মুক্তি মিলেছে লামায় অপহৃত ২৬ শ্রমিকের - C Barta
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে বন্ধ হবে এবার চাঁদাবাজি?— এক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পার্বত্য জনপদ ভারতীয় মিডিয়া ওর্য়াল্ডের ভিতরে মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন—স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা বাঘাইছড়িতে জামায়াতে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় নীল জল, সবুজ পাহাড়ের শহরে ঈদের খুশির জোয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্যের মোহনায় আনন্দের আমন্ত্রণ রাঙামাটিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ ও অনিরাপদ পশুর মাংস! ক্ষুব্ধ বৈধ ব্যবসায়ীরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরের কমিটির হিসাব সংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন পার্বত্য উপদেষ্টার বৈষম্যমূলক বরাদ্দের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামী ঈদসামগ্রী বিতরণ কাউখালীতে জামায়াতের আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মুক্তি মিলেছে লামায় অপহৃত ২৬ শ্রমিকের

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী থেকে অপহরণ হওয়া রবারবাগানের ২৬ জন শ্রমিক মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেন অপহরণকারীরা। ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাকের হোসেন মজুমদার  বলেন, পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য এসব শ্রমিককে প্রচণ্ড মারধর করা হয়েছে। মুক্তি পাওয়া ২৬ শ্রমিকের মধ্যে ১৫ জনকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গত রোববার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুরুংঝিরি এলাকার রবারবাগান থেকে এসব শ্রমিককে অপহরণ করে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। অপহরণের পর শ্রমিকদের প্রত্যেকের মুক্তির জন্য ৫০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছিলেন অপহরণকারীরা।

মুরুংঝিরি এলাকার একটি রবারবাগানের মালিক মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, রাতে অপহরণকারীরা ওই শ্রমিকদের ছেড়ে দিলে তাঁরা কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড় বাজারে চলে আসেন। এরপর তাঁদের মধ্য থেকে ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আরও বলেন, অপহরণের পর থেকে যৌথ বাহিনী শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। এ ছাড়া অপহৃতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তিপণ দাবি করা অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দুটি কারণেই অপহরণকারীরা শ্রমিকদের ছেড়ে দিতে পারে।
মুক্তিপণের বিষয়ে জানতে চাইলে ফাঁসিয়াখালীর সাবেক চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, ‘নিশ্চয় টাকা লেনদেন হয়েছে। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযানের ভয় ছিল সন্ত্রাসীদের।’

নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবির ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে সন্ত্রাসীরা অপহৃতদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে। মুক্তি পাওয়া শ্রমিকদের কাছ থেকে অপহরণের বিষয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে বিজিবি, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান এখনো চলমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © C Barta
Theme Customized By BreakingNews