মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সরকার কাজ করতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টার অনুমতি ক্রমে পার্বত্যাঞ্চলে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। আমরা আপনাদের কাছ থেকে যে সকল সমস্যাগুলোর কথা শুনেছি সেগুলো আমরা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে লিখিত আকারে জমা দেব। চিকিৎসকেরা মানুষের কাছে যায়, মানুষ চিকিৎসকের কাছে না। জনগণের দারপ্রান্তে স্বাস্থ্যসেবা পৌছিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতালের ১৫০ বেডের নতুন ভবন পরিদর্শন এসে এসব কথা বলেন।রাঙামাটি জেলার স্বাস্থ্য বিভাগকে আরো উন্নত ও আধুনিক করে ঢেলে সাজাতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার নির্দেশে পরিদর্শনে আসেন তিনি।
এসময় তিনি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ১০উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে তাদের নিজ নিজ এলাকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবার খবর নেন। এতে প্রত্যন্ত দুর্গম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাগণ তাদের চিকিৎসক, যন্ত্রপাতি, ৩য়-৪র্থ শ্রেণির জনবল ও ভবন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
বাঘাইছড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় উপজেলা বাঘাইছড়ি। কিন্তু উপজেলার স্বাস্থ্যসেতা অত্যন্ত নাজুক। যন্ত্রপাতি, ডাক্তার, জনবল ও ল্যাব, এক্সরে, ইসিজিসহ জর্জরিত সমস্যায় এই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। ভবনসহ নানান সমস্যা রয়েছে বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের।
সিভিল সার্জন বলেন, আমার কিছু কিছু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে অত্যন্ত করুন অবস্থা। ডাক্তার, নার্সসহ ভবন ও জনবলের অভাব রয়েছে। ১০উপজেলার বেশ কিছু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্সরে মেশিন, ইসিজি ও আলট্রা নাই। এছাড়াও ডাক্তার, নার্সদের থাকার কোয়াটার এবং ভবনের অভাব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা অধিশাখা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব ড.মোস্তাফিজুর রহমান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার একান্ত সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় এর উপ-সচিব ড.মোহাম্মদ মঞ্জুরু ইসলাম এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব স্নেহাশীষ দাশ, সিভিল সার্জন ডা.নূয়েন খীসা, ১০ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীগণসহ আরো অনেকে।
Leave a Reply