1. cbarta2025@gmail.com : C Barta : C Barta
  2. editor@cbarta.com : Reporter : Reporter
সাজেকে আর বস্তির মতো হোটেল-রেষ্টুরেন্ট গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না -ব্রিঃ জেঃ মো. আমান হাসান - C Barta
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে বন্ধ হবে এবার চাঁদাবাজি?— এক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পার্বত্য জনপদ ভারতীয় মিডিয়া ওর্য়াল্ডের ভিতরে মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন—স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা বাঘাইছড়িতে জামায়াতে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় নীল জল, সবুজ পাহাড়ের শহরে ঈদের খুশির জোয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্যের মোহনায় আনন্দের আমন্ত্রণ রাঙামাটিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ ও অনিরাপদ পশুর মাংস! ক্ষুব্ধ বৈধ ব্যবসায়ীরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরের কমিটির হিসাব সংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন পার্বত্য উপদেষ্টার বৈষম্যমূলক বরাদ্দের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামী ঈদসামগ্রী বিতরণ কাউখালীতে জামায়াতের আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাজেকে আর বস্তির মতো হোটেল-রেষ্টুরেন্ট গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না —ব্রিঃ জেঃ মো. আমান হাসান

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক


পাহারের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র মেঘের রাজ্য সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত লুসাই ও ত্রিপুরাদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী।
শনিবার (১ মার্চ) দুপুরে রুইলুই পর্যটন কেন্দ্রের স্টোন গার্ডেনে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান।
এসময় রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সেনবাহিনী। ভবিষ্যতে এই ধরনের দূর্ঘটনা যাতে না হয় তার জন্য সাজেকে পরিকল্পিত পর্যটন গড়ে তোলা হবে বলে জানান রিজিয়ন কমান্ডার। তিনি বলেন, সাজেকে আর বস্তির মতো হোটেল-রেষ্টুরেন্ট গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না।
সাজেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন, হাসপাতাল স্থাপন ও পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার। এসময় আগুণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও অংশীজনদের সাথে সভাও করেন তিনি।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১টার দিকে অবকাশ রিসোর্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তেই আগুন আশপাশের রিসোর্টে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়দের সহায়তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি থেকে ফায়ার সার্ভিস এসে সন্ধ্যায় আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে অগ্নিকা-ে স্থানীয়দের ৩৬টি বসতবাড়ি, ৩৪টি রির্সোট ও কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ ৯৫টি স্থাপনা পুড়ে যায়। এতে অন্তত ১শ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © C Barta
Theme Customized By BreakingNews