1. cbarta2025@gmail.com : C Barta : C Barta
  2. editor@cbarta.com : Reporter : Reporter
পাহাড়ি ছড়ায় পানি নেই, তৃষ্ণার্ত পাহাড়ি জনপদ - C Barta
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে বন্ধ হবে এবার চাঁদাবাজি?— এক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পার্বত্য জনপদ ভারতীয় মিডিয়া ওর্য়াল্ডের ভিতরে মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন—স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা বাঘাইছড়িতে জামায়াতে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় নীল জল, সবুজ পাহাড়ের শহরে ঈদের খুশির জোয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্যের মোহনায় আনন্দের আমন্ত্রণ রাঙামাটিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ ও অনিরাপদ পশুর মাংস! ক্ষুব্ধ বৈধ ব্যবসায়ীরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরের কমিটির হিসাব সংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন পার্বত্য উপদেষ্টার বৈষম্যমূলক বরাদ্দের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামী ঈদসামগ্রী বিতরণ কাউখালীতে জামায়াতের আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাহাড়ি ছড়ায় পানি নেই, তৃষ্ণার্ত পাহাড়ি জনপদ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য জনপদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী বিপুল সংখ্যক সাধারন লোকজন পাহাড়ী ছড়ায় প্রবাহমান পানি থেকে গোসল, জামা কাপড় ধোয়াসহ প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন কাজ করে থাকেন। কিন্তু পাহাড়ী ছড়া গুলো এখন শুকিয়ে আছে। পাহাড়ী ছড়ায় পানির প্রবাহ না থাকায় সাধারণ মানুষের পানির কষ্ট বেড়েছে। অনেকে দুরে কোথাও গিয়ে পানির উৎস্য থেকে দৈনন্দিন পারিবারিক কাজ সারছেন।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ওয়াগ্গাছড়া, পাগলীপাড়া ছড়াসহ বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়ায় বর্তমানে পানির প্রবাহ নেই। বর্ষার সময় যেসব ছড়া দিয়ে উপচে পড়ত পানির স্রোত, সেইসব ছড়া এখন শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন সদস্য আপাই মারমা বলেন, নি

আয়ের মানুষ পাহাড়ি ছড়ার প্রতি বেশি নির্ভরশীল। বর্তমানে ছড়ায় পানি না থাকায় তাদের কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, ছড়ার আশে পাশেই সাধারন মানুষ বসতি গড়ে তুলেছেন। ছড়ার পানি দিয়ে পারিবারিক ও গৃহস্থালী দৈনন্দিন কাজকর্ম করা ছাড়াও অনেকে সেচ কাজেও ছড়ার পানি ব্যবহার করে থাকেন। এখন পাহাড়ি ছড়া শুকিয়ে যাওয়ায় সাকসবজী এবং বিভিন্ন ফসলের জমিতেও সেচ দিতে সমস্যা হচ্ছে।


স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান চিরনজিত তনচংগ্যা বলেন, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ এই তিন মাস পাহাড়ী ছড়ায় পানির প্রবাহ থাকেনা। এই সময়ে বৃষ্টি না থাকায় এবং পাহাড়ের ঝর্ণা ধারা শুকিয়ে যাওয়ায় ছড়ায় পানির ধারা নেই। তিনি বলেন, পাহাড়ি ছড়ায় পানি প্রবাহের মূল উৎস হলো বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঝর্ণা ধারা। বৃষ্টি না থাকলে ঝর্ণা ধারায়ও পানি আসেনা। তবে এটি প্রাকৃতিক বিষয়। সাধারণ জনগণকে প্রতি বছর এমন সময় এরকম পানির কষ্ট ভোগ করতে হয়। স্বচ্ছল ব্যক্তিরা গভীর নলকুপ বসিয়ে পানির প্রয়োজন মেটাতে পারলেও সবার পক্ষে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে গভীর নলকুপ বসানো সম্ভব হয়না। তবে বৃষ্টি নামলে পানির এই কষ্ট আর থাকবেনা।


কামিলাছড়ি এলাকার বাসিন্দা মঙ্গল চাকমা বলেন, আমাদের পাড়ায় অনেক গভীর নলকুপেও পানি উঠছেনা। তিনি বলেন, শুষ্ক মউসুম হওয়ায় মাটির নিচের পানির স্তর আরো নীচে নেমে গেছে। যে কারণে সব নলকুপে পানি উঠছেনা। তবে যে ২/১টি গভীর নলকুপে পানি উঠছে পাড়ার সকল মানুষ সেখান থেকে প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করে আনছে।
রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, সরকারি ভাবে পার্বত্য জনপদের বিভিন্ন পাড়ায় এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিপুল পরিমান গভীর নলকুপ বসানো হয়েছে। এসব গভীর নলকুপের কোন কোনটি থেকে পানি পাওয়া যাচ্ছে। আর এতে অনেকেই উপকৃত হচ্ছেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পার্বত্য জনপদে পানির কষ্ট দুর করতে আরো বেশি সংখ্যক গভীর নলকুপ বসানোর পরিকল্প রয়েছে বলেও সংশ্লিস্ট সুত্র জানায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © C Barta
Theme Customized By BreakingNews