1. cbarta2025@gmail.com : C Barta : C Barta
  2. editor@cbarta.com : Reporter : Reporter
খাগড়াছড়িতে সহকারী শিক্ষকের বেত্রাঘাতে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী - C Barta
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে বন্ধ হবে এবার চাঁদাবাজি?— এক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পার্বত্য জনপদ ভারতীয় মিডিয়া ওর্য়াল্ডের ভিতরে মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন—স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা বাঘাইছড়িতে জামায়াতে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় নীল জল, সবুজ পাহাড়ের শহরে ঈদের খুশির জোয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্যের মোহনায় আনন্দের আমন্ত্রণ রাঙামাটিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ ও অনিরাপদ পশুর মাংস! ক্ষুব্ধ বৈধ ব্যবসায়ীরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরের কমিটির হিসাব সংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন পার্বত্য উপদেষ্টার বৈষম্যমূলক বরাদ্দের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামী ঈদসামগ্রী বিতরণ কাউখালীতে জামায়াতের আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে সহকারী শিক্ষকের বেত্রাঘাতে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সহকারী শিক্ষকের বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাটিরাঙ্গা
উপজেলার পলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীর নাম সায়মন ইসলাম (৮)। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিক রহিমা বেগমকে অভিযুক্ত করা হয়। আহত শিক্ষার্থী সায়মন মাটিরাঙা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এই নিয়ে আজ সোমবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মানজিলা সুলতানা। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে বেত নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্বেও এহেন বেত্রাঘাত নির্মমতার পরিচায়ক। তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিকিৎসা এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে কথা দেন।

এই ঘটনায় শিক্ষার্থীর চাচা জাকির হোসেন জানান, ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে পড়া সম্পন্ন করতে না পারায় সায়মনকে বেত দিয়ে বেদম প্রহার করেছেন সহকারী শিক্ষক রহিমা। সায়মন এর পিঠে, কোমরে বেত্রাঘাতের জখম হয়েছে।

পলাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আক্তার বলেন, ইতোমধ্যে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, এলাকাবাসী স্কুলে এসেছেন। আমরা বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। তবে খবর নিচ্ছি কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © C Barta
Theme Customized By BreakingNews