পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যমূলক বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে উল্লেখ করে বিক্ষোভ মিছিল ও উপদেষ্টা সু-প্রদীপ চাকমার কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে সচেতন ছাত্র-জনতা। শনিবার সকাল ১১টায় রাঙামাটি পৌরসভা চত্বরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু হয়ে বনরূপা সিএনজি চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়। এতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন এবং সু-প্রদীপ চাকমার কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও রাঙামাটি জেলা সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। বক্তব্য রাখেন সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি শ্যামল বড়ুয়া, এনসিপির নেতৃবৃন্দ, বড়ুয়া নেতৃবৃন্দ, মারমা নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. শওকত হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, মহিউদ্দিন নুহাশ, ইসমাঈল গাজী, মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর ছাত্র প্রতিনিধি পারভেজ মোশাররফ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম রনি, রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রদায়িক উপদেষ্টা সু-প্রদীপ চাকমা পাহাড়ের জনগণের প্রকৃত চাহিদা উপেক্ষা করে একপাক্ষিক বরাদ্দ দিয়েছেন, যা সংবিধানের সাম্যের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তাদের দাবিগুলো হলো:
১. বৈষম্যমূলক চাকমা বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যমূলক বাজেট সংশোধন করা না হলে ছাত্র-জনতা কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তারা সু-প্রদীপ চাকমাকে পার্বত্য অঞ্চলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
Leave a Reply