রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে গোসলে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে গোসলে নেমে ইনতিশার হাসনাত জিমেল (২২) নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালের দিকে রাঙামাটি সদরের বালুখালী ইউনিয়নের বালুচর স্পটে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, এদিন সকালে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে চবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের (আইআর অনার্স) শিক্ষার্থী ইনতিশার হাসনাতসহ চার বন্ধু মিলে রাঙামাটি পৌঁছায়। বিকালের দিকে তারা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে কাপ্তাই হ্রদের বালুচর স্পটে ঘুরতে যান। এরপর সেখানে চারজনই কাপ্তাই হ্রদে গোসলে নামলে সাঁতার না জানার কারণে ইনতিশার হাসনাত পানিতে তলিয়ে যান।
এতে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল গিয়ে সেখান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে রাঙামাটি ফায়ার স্টেশন সার্ভিসের ডুবুরি দল। মৃত ইনতিশার হাসনাত কক্সবাজার জেলার পেকুয়া এলাকার মো. বেলাল উদ্দিন ও শাহীন আকতার নাছরিন দম্পতির ছেলে। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মহানগরীর ডিওএইচএস এলাকায় থাকেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপপরিচালক নিউটন দাস বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমাদের ডুবুরি দল বিকাল ৫টার দিকে ঘটনাস্থল গিয়ে পৌঁছায়।
এরপর আশপাশে তল্লাশির আধা ঘণ্টা পর কাপ্তাই হ্রদ থেকে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব বলেন, লাশটি উদ্ধারের পর পুলিশে হস্তান্তর করা হলে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
তবে ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, নিহত হাসনাতসহ ২ছেলে ও ২মেয়ে রাঙামাটিতে বেড়াতে এসে হাসনাত হ্রদে নেমে নিখোঁজ হয়ে মারা যায়। হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে যে তিনজন নিহতের কাছে ছিল সবাই মদ্যপান অবস্থায় ছিলেন। নিহতের সাথে থাকা তিনজন শিক্ষার্থী স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের মারধর করে এবং সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা প্রদান করে।