জীতেন বড়ুয়ার মুক্তি ও সারাদেশে সাংবাদিক নিরাপত্তার দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন

সোহরাওয়ার্দী সাব্বির
সোহরাওয়ার্দী সাব্বির সোহরাওয়ার্দী সাব্বির
প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ন, ০৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৫:০৪ অপরাহ্ন, ০৮ জুন ২০২৬


খাগড়াছড়ির সিনিয়র সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়ন ও টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক।

রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম. কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে ও সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াছ, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নন্দন দেবনাথ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ ও হিমেল চাকমা, সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ কামাল ইমন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক উছিংচা রাখাইন কায়েস, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিশু দে, সাংবাদিক শান্তিময় চাকমা, সাংবাদিক মেহেদি হাসান সোহাগ, সাংবাদিক মিশু মল্লিক এবং টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মিশু দেসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা খাগড়াছড়ির সিনিয়র সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সাংবাদিকদের হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মানববন্ধন শেষে সাংবাদিক নেতারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। একই সঙ্গে জেলা পুলিশ সুপারের কাছেও স্মারকলিপির অনুলিপি জমা দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত ৬২ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

স্মারকলিপিতে সাংবাদিকদের হয়রানি, নির্যাতন বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।