ফুলের বরণে নতুন পরিষদ, উন্নয়নের অপেক্ষায় রাঙ্গামাটি
ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয়েছে নবগঠিত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দিপু ও সদস্যদের। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটির উদ্দেশে রওনা হয়ে জেলার প্রবেশমুখ বেতবুনিয়ার গোদারপাড়ে পৌঁছালে স্থানীয় মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।
পরে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের গাড়িবহর রাঙ্গামাটি শহরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কারও হাতে ফুলের তোড়া, কারও হাতে মালা স্বতঃস্ফূর্ত শুভেচ্ছায় নতুন পরিষদকে বরণ করে নেন তারা। কোথাও করতালি ও স্লোগান, কোথাও আবার প্রিয় নেতৃবৃন্দকে একনজর দেখতে মানুষের ভিড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
নতুন পরিষদের আগমন ঘিরে এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি শুধু আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; এর মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে পাহাড়ি জনপদের মানুষের প্রত্যাশার চিত্রও। দীর্ঘদিনের নানা সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নতুন পরিষদ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটন ও অবকাঠামোসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটাবে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের আশা, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনমুখী হবে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রত্যন্ত এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে পরিষদ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এদিকে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের স্বাগত জানাতে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জেলার প্রবেশমুখ থেকে শহরের বিভিন্ন সড়ক পর্যন্ত ফুলেল শুভেচ্ছা ও উচ্ছ্বাসে যেন তৈরি হয় দীর্ঘ এক অভ্যর্থনা-সারি।
নতুন পরিষদের পথচলার শুরুতেই মানুষের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে যে প্রত্যাশার বার্তা স্পষ্ট হয়েছে, এখন সেই প্রত্যাশা পূরণের পালা। ফুলের শুভেচ্ছা যেন শেষ পর্যন্ত রাঙ্গামাটির মানুষের উন্নয়ন, অধিকার ও কল্যাণে দৃশ্যমান কাজের প্রতিফলন হয়ে ফিরে আসে এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।