আলোচনার মাধ্যমেই পার্বত্য চুক্তির ভবিষ্যৎ: দিপেন দেওয়ান

মো. সোহরাওয়ার্দী সাব্বির
মো. সোহরাওয়ার্দী সাব্বির মো. সোহরাওয়ার্দী সাব্বির
প্রকাশিত: ১০:২৯ অপরাহ্ন, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১:০৮ পূর্বাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পার্বত্য রাঙামাটি–২৯৯ আসনে বিএনপির অবস্থান, উন্নয়ন ভাবনা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি তুলে ধরেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী দিপেন দেওয়ান।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাঙামাটি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

দিপেন দেওয়ান বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ বর্তমানে দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পার্বত্য অঞ্চলও এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের ভিত্তিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করতে চান। এ ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রাঙামাটি গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে সংসদ সদস্যরা যা দিতে পারেননি, তা দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং সব ক্ষেত্রে সুষম উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি প্রসঙ্গে দিপেন দেওয়ান বলেন, চুক্তিটি একটি বাস্তবতা এবং এটি এখনো বাতিল হয়নি। বিএনপি সরকার গঠন করলে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বাজার ফান্ডসহ ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দিপেন তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী মণি স্বপন দেওয়ান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিষ দেওয়ান, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম ভুট্টো, সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা বিএনপির মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিনসহ জেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

দিপেন দেওয়ান আরও বলেন, নির্বাচিত হলে শিক্ষা, কৃষি, অবকাঠামো ও পর্যটন খাতে উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সব উন্নয়ন কার্যক্রম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে রাঙামাটিকে একটি সম্প্রীতির শহর হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ এবং সাতজন প্রার্থীই তার প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে এখনো পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে বলেও তিনি জানান।